Advertisement
সিলেটের মৌলভীবাজারের পাহাড় টিলা আর প্রকৃতির কোলে লুকিয়ে আছে সংস্কৃতির এক অপরূপ স্বর্গরাজ্য! প্রতি বছর আদিবাসী পাড়াগুলো সেজে ওঠে দুটি ভিন্ন জাতিসত্তার প্রধান উৎসবের রঙে। একদিকে খাসিয়াদের ‘খাসি সেং কুটস্নেম’, অন্যদিকে মণিপুরীদের ঐতিহ্যবাহী ‘মহারাসলীলা’।বাংলাদেশের সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলায় প্রতি বছর নভেম্বর মাসে মণিপুরি ও খাসিয়া (খাসি) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান দুটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়। কার্তিক পূর্ণিমায় মণিপুরিদের ঐতিহ্যবাহী "রাস উৎসব" এবং খাসিয়াদের বর্ষবরণ ও ঐতিহ্য অন্বেষণের উৎসব "খাসি সেং কুটস্নেম" অনুষ্ঠিত হয়।
আর এ বছর নভেম্বরে মাসের ২৩ ও ২৪ তারিখ এই খাসিয়া এবং মণিপুরি নৃ-গোষ্ঠীর সবথেকে বড় এবং তাদের প্রধান উৎসব ১ দিন আগে পরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যা এক ভ্রমণেই উপভোগ করা সম্ভব।
মণিপুরীদের রাস উৎসবের পাশাপাশি খাসিয়াদের এই উৎসবও আমাদের দেশের লোক-সংস্কৃতিকে এক অনন্য পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এই রঙিন উৎসব দেখতে আপনারাও ঘুরে আসতে পারেন দৃষ্টিনন্দন খাসিয়া পুঞ্জিগুলো থেকে!
খাসিয়াদের উৎসব ‘খাসি সেং কুটস্নেম’
=======================
খাসি সেং কুটস্নেম উৎসবটি বাংলাদেশের আদিবাসী খাসিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সর্বজনীন বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ উৎসব, যা বর্তমানে দেশীয় পর্যটনের অন্যতম এক আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাগুরছড়া পুঞ্জিতে এই বর্ণিল উৎসবের আয়োজন করা হয়।
খাসিয়াদের এই উৎসবটি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে তুলে ধরার একটি বড় মাধ্যম। উৎসবে দেশ বিদেশেরর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকেরা আসেন খাসিয়াদের ঐতিহ্যবাহী নাচ, গান, কৃষিকাজ, তীরধনুক খেলা এবং তৈলাক্ত বাঁশ বেয়ে ওপরে ওঠার মতো অনন্য সব আয়োজন দেখতে।
উৎসবের দিন মাগুরছড়া পুঞ্জির মাঠে একটি ঐতিহ্যগত মেলা বসে। এখানে খাসিয়াদের নিজস্ব সংস্কৃতির পোশাক, বাহারি খেলনা এবং ঐতিহ্যবাহী মশলা ও পণ্যের পসরা সাজানো হয়, যা পর্যটকদের কেনাকাটার অন্যতম আকর্ষণ।
পোশাক: খাসিয়া নারীরা পরেন ঐতিহ্যবাহী ‘জৈনসেম’ এবং পুরুষরা পরেন ‘জিম্পং’। সাথে থাকে রুপার নিখুঁত গয়না ও মাথায় বিশেষ মুকুট।
নৃত্য ও সংস্কৃতি: মাদলের তালে তালে খাসিয়া তরুণ-তরুণীদের ঐতিহ্যবাহী নাচ এবং তীর-ধনুক খেলার প্রতিযোগিতা পুরো পুঞ্জিতে (খাসিয়া গ্রাম) এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে।
দেশীয় সংস্কৃতি ও পর্যটনকে উৎসাহিত করতে এই উৎসব আয়োজনে মণিপুরি ললিতকলা একাডেমি এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড সরাসরি সহযোগিতা করে থাকে।
মণিপুরী ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসব- "সংস্কৃতি, বর্ণিল পোশাক ও পাড়ার আয়োজন"
=========================================
মণিপুরী রাস উৎসব হলো বাংলাদেশের মণিপুরী জনগোষ্ঠীর প্রধান ধর্মীয়, ঐতিহ্যবাহী ও সাংস্কৃতিক মহোৎসব। রাধাকৃষ্ণের প্রেমের প্রতীকী উপস্থাপন হিসেবে অত্যন্ত বর্ণিল ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়। রাসপূর্ণিমা উৎসব বাংলাদেশের মনিপুরী আদিবাসীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী উৎসব। প্রতি বছর কার্তিক পূর্ণিমা তিথিতে এই উৎসব পালন করা হয়। রাস উৎসব উপলক্ষে আয়োজন করা হয় রাসনৃত্যের। রাসনৃত্য মনিপুরী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধ্রুপদী ধারার এক অপূর্ব শৈল্পিক সৃষ্টি।
এই উৎসব মূলত দুটি প্রধান পর্বে বিভক্ত এবং প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে অবিরামভাবে চলে-
রাখালরাস বা গোষ্ঠলীলাঃ উৎসবের প্রথম পর্বটি দিনের বেলা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে গোধূলি লগ্ন পর্যন্ত চলে রাখাল নৃত্য। এখানে শ্রীকৃষ্ণের বাল্যকাল, সখাদের সাথে তাঁর মাঠের রাখাল জীবন এবং গবাদি পশু চরানোর বিভিন্ন লীলা ধ্রুপদী নৃত্যশৈলীর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
মহারাসলীলাঃ উৎসবের মূল এবং সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশটি শুরু হয় রাত সাড়ে ১১টা থেকে এবং এটি চলে পরদিন ভোর পর্যন্ত। এই পর্বে শ্রীকৃষ্ণ, রাধিকা এবং গোপিনীদের দিব্য প্রেম ও আধ্যাত্মিক মিলনকে শাস্ত্রীয় নৃত্যের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়।
মণিপুরী রাস উৎসবকে কেন্দ্র করে মণিপুরী পাড়াগুলোতে উৎসবের বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই এক অভূতপূর্ব ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এটি কেবল একদিনের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং পাড়ার প্রতিটি ঘরের আবালবৃদ্ধবনিতার এক সুদীর্ঘ ও আন্তরিক প্রস্তুতির ফসল।
পোশাক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনাঃ
রাসনৃত্যের সময় নৃত্যশিল্পীদের পরনে থাকে বিশেষ ঐতিহ্যবাহী জমকালো পোশাক, যা কুমিন (চোখধাঁধানো কারুকাজ করা মখমলের ঘাগরা) নামে পরিচিত। এছাড়া মাথায় মেইখুম্বি (পাতলা ও স্বচ্ছ ওড়না) এবং শরীরে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী গয়নাগাটি পরিধান করা হয়। পুরো উৎসব প্রাঙ্গণ ঢাক-ঢোল, খোল-করতাল, মন্দিরা ও শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত থাকে। উৎসবকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে বিশাল রাস মেলা বসে, যেখানে মণিপুরীদের তৈরি ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প, কাপড় এবং বিভিন্ন মৃৎশিল্প সামগ্রী পাওয়া যায়।
রাস উৎসবের ঐতিহ্যবাহী পোশাক
রাসলীলায় অংশগ্রহণকারী রাধা, কৃষ্ণ এবং গোপিনীদের পোশাক অত্যন্ত জমকালো এবং এর একটি ঐতিহাসিক নকশা রয়েছে। এই পোশাককে সামগ্রিকভাবে পলোই বলা হয়।
মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে শক্তিশালী দুটি স্তম্ভ হলো তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক এবং শাস্ত্রীয় নৃত্যশৈলী। রাস উৎসবের মূল সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে চোখধাঁধানো পোশাক এবং অত্যন্ত পরিশীলিত ও আধ্যাত্মিক নৃত্যভঙ্গি।
মণিপুরী নৃত্য ভারতের প্রধান আটটি শাস্ত্রীয় নৃত্যের অন্যতম। এই নৃত্যশৈলী অত্যন্ত মৃদু, ছন্দোময় এবং আধ্যাত্মিক ভাবগাম্ভীর্যে ভরপুর।
রাস উৎসবের বিশেষ পোশাক ছাড়াও মণিপুরী নারীদের দৈনন্দিন জীবনে পরার জন্য নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী পোশাক রয়েছেঃ
ফানেক মণিপুরী নারীদের প্রধান পোশাক। এটি মূলত বুক থেকে পা পর্যন্ত জড়িয়ে পরা এক ধরণের বিশেষ লুঙ্গি বা স্কার্ট, যা তারা নিজেদের তাঁতে বুনে থাকেন। এর নিচের অংশে চওড়া এবং আকর্ষণীয় পাড় থাকে।
ইন্নাফি ফানেকের সাথে শরীরের ওপরের অংশে চাদরের মতো জড়িয়ে পরা একটি পাতলা ও ওড়না জাতীয় সুতি বা রেশমি কাপড়।
উৎসবের প্রায় এক-দেড় মাস আগে থেকেই প্রতিটি মণিপুরী পাড়ার মণ্ডপ বা আখড়াবাড়িতে শুরু হয় নৃত্যের কঠোর মহড়া।
অভিজ্ঞ নৃত্যগুরু (যাদের 'রাসধারী' বলা হয়) এবং সংগীত গুরুদের ('সূত্রধারী') তত্ত্বাবধানে শিশুরা রাখাল নৃত্যের এবং তরুণীরা মহারাসলীলার প্রশিক্ষণ নেয়।
সাধারণ কাজকর্ম বা পড়াশোনা শেষে প্রতিদিন সন্ধ্যায় পাড়ার মণ্ডপগুলো খোল, করতাল আর বাঁশির সুরে মুখরিত হয়ে ওঠে। গভীর রাত পর্যন্ত চলে এই নাচের মহড়া।
রাসনৃত্যের সেই বিশেষ ঐতিহ্যবাহী ঝালর ও চুমকি বসানো পোশাক 'পলোই' তৈরির জন্য পাড়ার কারিগররা ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
মণিপুরী নারীরা নিজেদের ঘরের তাঁতে কাপড়ের নকশা বোনার কাজ শুরু করেন। পাড়ার নারীরা একত্রিত হয়ে পলোই ড্রেসে আয়না বসানো, জরি সুতোর কাজ এবং চুমকি গাঁথার কাজ করেন। অনেক পরিবারে বংশানুক্রমিকভাবে সংরক্ষিত পলোই নতুন করে ধুয়ে-মুছে ও মেরামত করে ব্যবহারের করেন।
রাস উৎসবের আগে প্রতিটি পাড়ায় এক ধরণের পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলে। তরুণ ও যুবকেরা মিলে মণ্ডপ প্রাঙ্গণ পরিষ্কার করে, নতুন রঙের প্রলেপ দেয় এবং রঙিন কাগজ ও আলো দিয়ে মণ্ডপ সাজিয়ে তোলে।
উৎসবের দিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত এবং বিদেশ থেকে হাজার হাজার পর্যটক ও আত্মীয়-স্বজন আসেন। তাদের বরণ করে নিতে প্রতিটি পরিবারে অগ্রিম ঘর-দোর গোছানো এবং ঐতিহ্যবাহী মণিপুরী খাবার তৈরির প্রস্তুতি চলে।
পাড়ার কোন শিশুটি 'কৃষ্ণ' সাজবে, কারা 'রাখাল' হবে কিংবা কোন তরুণীরা 'রাধা ও গোপিনী'র প্রধান চরিত্রে নাচবে—তা নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় দারুণ কৌতুহল ও আনন্দের পরিবেশ থাকে। এটি মণিপুরী পরিবারের জন্য অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ বিষয়। চরিত্র চূড়ান্ত হওয়ার পর থেকেই সেই শিশুদের সাজানোর জন্য পাড়ার অভিজ্ঞ মুরুব্বিরা বিশেষ যত্ন নেওয়া শুরু করেন।
পাড়ার খালি মাঠে স্থানীয় হস্তশিল্প ও কুটির শিল্পের বিশাল মেলার (রাসমেলা) জন্য স্টলের কাজ শুরু হয়।
পর্যটনের গুরুত্ব ও সামাজিক প্রভাবঃ
রাস উৎসবের মাধ্যমে বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিশ্ববাসীর কাছে উন্মোচিত হয়। বিদেশী পর্যটক ও গবেষকেরা এই উৎসবের ধ্রুপদী নৃত্যশৈলী এবং আধ্যাত্মিক আবহ দেখতে আসেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে।
পর্যটকেরা মণিপুরীদের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, চাদর, ফানেক, ব্যাগ এবং বিভিন্ন বাঁশ-বেতের তৈরি সামগ্রী ও হস্তশিল্প ব্যাপক পরিমাণে কেনেন। এতে স্থানীয় তাঁতীদের বড় ধরণের অর্থনৈতিক সংস্থান হয়
পর্যটকদের বিপুল আগ্রহ ও প্রশংসা মণিপুরী তরুণ প্রজন্ম তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, ভাষা, পোশাক ও নাচের প্রতি আরও বেশি যত্নশীল এবং গর্বিত বোধ করে। পর্যটনের ইতিবাচক প্রচার এই লোক-ঐতিহ্যকে বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করে।
আয়োজনঃ
যাত্রা ২২ নভেম্বর ঢাকা এসি ট্রেনে যাত্রা
একটি চমৎকার রিসোর্টে থাকা ২ রাত থাকা
২৩ তারিখ খাসিয়া উৎসবে যোগ দেয়া
২৪ তারিখ সকালে মণিপুরি উৎসবে সারাদিন সারারাত থাকা
২৩-২৪ সকাল দুপুর রাত ও পরেরদিন ২৫ সকালের খাবার ব্যাবস্থা
উৎসবের ১ম আয়োজন রাখাল নৃত্যতে উপভোগ
স্থানীয় মনীপুরীদের বাড়িতে আতিথিয়তা গ্রহণ
বিকেলে বিশ্রামের পর মেলায় ঘুরাঘুরি
মহা রাসের উৎসবে যোগ দেয়া
ফটোগ্রাফি
পরদিন সকালে নাস্তা করে ঢাকায় রওনা
দুপুরে ১.৫০ এর মধ্যে ঢাকায় পৌছানো।
ইভেন্ট ফি - ৮৬০০/- জনপ্রতি
নিশ্চিত করতে ১০ নভেম্বরের মধ্যে ২৬০০/- জমা দিতে হবে।
ব্যাংকঃ
অ্যাকাউন্টের নাম- Md Syfur Rahman Sajib
অ্যাকাউন্ট নম্বর 116 151 0020195
ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
গুলশান ব্রাঞ্চ।
অথবা
বিকাশঃ - 01711978072 (পারসোনাল)
***অনুগ্রহ টাকা পাঠানোর পর আমাকে টেক্সট করুন।
## ট্রেন টিকিট কাটার পরে বুকিং মানি অফেরতযোগ্য এবং বিকাস করলে খরচ সহ দিতে হবে)
যা যা থাকছেঃ
_______________
ঢাকা - মৌলভিবাজার - ঢাকা এসি ট্রেন/বাস
- সকল বেলার খাবার।
- এসি রুমে রিসোর্টে থাকা
- নির্ধারিত সময়ে অভ্যন্তরীণ ট্রান্সপোর্ট
- লোকাল ট্রান্সপোর্ট সিএনজি/ অটো/ লেগুনা/ ট্রলার
- লোকাল গাইড
- এন্ট্রি এক্সিট
- হোষ্ট
- পার্মিশন
- খাওয়ার সময় মিনারেল পানি
যা যা ভ্রমণে থাকছে নাঃ
_______________________
১) যাত্রা বিরতিতে কোনো খাবার
২) মিনারেল ওয়াটার
৩) উল্লিখিত ভ্রমণের বাইরে ঘুরে বেড়ানো বা গাড়ির অতিরিক্ত ব্যবহারের খরচ।
৪) ব্যাক্তিগত খরচ
৫) যা উল্লেখ নেই
৬) মেডিসিন
যেকোনো চা নাস্তা দই মিষ্টি
৭) বিবিকিউ
সাথে নিতে হবেঃ
_________________
- গামছা
- সানগ্লাস, হ্যাট, প্রসাধনী- প্রয়োজনীয় ঔষধ
- ক্যমেরা এবং এর এক্সট্রা ব্যাটারি
- চার্জের জন্য পাওয়ার ব্যাংক
- নিজ নিজ পানির বোতল ***
#** গুরুত্বপূর্ণ **
___________________________
# সব থেকে জরূরী, ট্রিপ ডিটেইলস টা মনোযোগ দিয়ে পড়া।
# প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা এক্সিডেন্টাল কোনো ইস্যুতে খরচ বেড়ে গেলে সেই বর্ধিত খরচ আমরা সবাই মিলেই বহন করবো।
# প্ল্যানের মধ্যে নতুন কোনো প্ল্যানের আবদার না করার বিশেষ অনুরোধ। তবে কোনো আবদার থাকলে ঢাকা থেকে রুউনা দেয়ার ২ দিন আগে জানাবনে।
# যেকোনো প্রয়োজনে আগে হোস্টকে জানাবেন, আপনার চাওয়া যথাসাধ্য ম্যানেজ করা হবে, সিদ্ধান্ত হোস্ট এর পরামর্শে নিতে হবে।
# আমরা যেহেতু লোকালয় ছেড়ে অনেক দুরে থাকব তাই ্যা ণেয়াড় ঢাকা থেকে নিয়ে যাবেন।
# তাবু থাকা জরুরী। না থাকলে কিনে দেয়া যাবে, ভাড়াতে পাওয়া যায়।
# যা যা সাথে নিবেন ঢাকা থেকেই নেয়ার চেষ্টা করবেন। ট্রেনে উঠার পরে জিনিসের দাম দ্বিগুণ হয়ে যায়। এছাড়া পাওয়া যায় না।
# অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে, অন্যকে আপনার ব্যাগের দায়ীত্ব দিলে, ২-৩ জনের কাছে দিন। ট্রেন ছাড়ার আগে এবং যাত্রা শেষ হবার আগে ব্যাগ নিজের হাতে রাখুন।
# প্রত্যাক বেলা খাওয়ার সময় মাথা গুনে প্লেটের হিসেব করা হয় এবং প্রত্যেকবার রান্না মাথা গুনে করা হয়, আপনার ১ টা অতিরিক্ত মাছ/ডিম/ কিছু লাগলে ভ্রমণ শুরুর আগেই জানাবেন এবং সম পরিমাণ টাকা হাতে রাখুন প্লিজ, নয়তো নিয়ম মেনেই চলুন।
@@ আশা এবং অনুরোধ করছি বিস্তারিত পড়ে জেনেই আমাদের সাথে যাচ্ছেন। নিরাপত্তা এবং কোয়ালিটি নিয়ে আমরা খুবই সচেতন, তাই আপনার সাথে যেতে চাওয়া ব্যাক্তির বিস্তারিত আগেই জানাবেন প্লিজ।
সবসময় ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলবো। পরিবেশ নোংরা না করে আমরা পরিবেশকে উপভোগ করবো।
@@ আমরা ট্যুরটা লাক্সারী আয়োজনের চেষ্টা করছি, আপনার কোণ পরামরররশ থাকলে জানাবেন। বরাবরের মতো সকল বয়সের সকল নারী পুরুষ পরিবার সহ যেতে পারবেন।
যেকোনো প্রয়োজনেঃ
সজীব - ট্রাভেলার্স হুইসেল
০১৭১১৯৭৮০৭২
===============
==============
==============
===========
Advertisement
Event venue
শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার, Sylhet, Bangladesh
Tickets
Discover more events by tag
Festivals in SylhetHeritage-walk in SylhetPerforming-arts in SylhetDance in SylhetArt in SylhetHistory in Sylhet