#StayHappening
Fri, 23 Oct, 2026 at 07:00 am UTC+06:00

সবুজ রমনায় ফ্রাইডে নেচার ওয়াক

  • রমনা পার্ক,ঢাকা,বাংলাদেশ। · Dhaka
Syfur Rahman Sajib Publisher / Host Syfur Rahman Sajib
Share
\u09b8\u09ac\u09c1\u099c \u09b0\u09ae\u09a8\u09be\u09af\u09bc \u09ab\u09cd\u09b0\u09be\u0987\u09a1\u09c7 \u09a8\u09c7\u099a\u09be\u09b0 \u0993\u09af\u09bc\u09be\u0995
Advertisement
বেয়ারফুট নেচার ওয়াক ইন রমনা
ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত রমনা পার্ক তার শতবর্ষী গাছপালা, পাখিদের কোলাহল এবং দৃষ্টিনন্দন লেকের জন্য প্রকৃতিপ্রেমী ও প্রাতঃভ্রমণকারীদের প্রিয় স্থান। ট্রাভেলার্স হুইসে গ্রুপের এবারের হাটাহাটি ও আড্ডা রমনা পার্কে।
সুস্থ দেহ ও ফুরফুরে মনের জন্য হাঁটা জরুরি। অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে ভোরে হাঁটা স্বাস্থ্যকর। প্রতিদিন ভোরে হাঁটতে বের হোন, শরীর থেকে রোগবালাই দূরে থাকবে। মন থাকবে ফুরফুরে।
ঢাকার ফুসফুস নামে পরিচিত রমনা পার্ক (রমনা উদ্যান) শুধু একটি বিনোদন কেন্দ্র না, এটি চারশত বছরেরও বেশি পুরনো এক জীবন্ত ইতিহাসের সাক্ষী। ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ৬৮.৫ একর আয়তনের এই চিরসবুজ উদ্যানটি তার সমৃদ্ধ অতীত, আধুনিক রূপ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য অনন্য।
মুঘল আমল (সূচনা): ১৬১০ সালে মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে যখন ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী করা হয়, তখন সুবাদার ইসলাম খান চিশতি এই অঞ্চলের গোড়াপত্তন করেন। ফার্সি শব্দ "রমনা" শব্দের অর্থ হলো তৃণভূমি বা চারণভূমি। মুঘলরা এই বিশাল উদ্যানের নাম দিয়েছিল "বাগ-ই-বাদশাহি" (বাদশাহী বাগান)।
১৮২৫ সালে ব্রিটিশ ম্যাজিস্ট্রেট চার্লস ডস ঢাকার নবাবদের সহায়তায় রমনার উন্নয়নে হাত নেন। ১৯০৮ সালে লন্ডনের বিখ্যাত কিউই গার্ডেনের কর্মী আর. এল প্রাউডলক-এর নিসর্গ পরিকল্পনায় বর্তমান পার্কটির আধুনিক নকশা তৈরি হয়। ১৯৪৯ সালে পার্কটি আনুষ্ঠানিকভাবে জনসাধারণের জন্য উদ্বোধন করা হয়। ১৯৫২ সালে এর বর্তমান ল্যান্ডস্কেপ চূড়ান্ত করা হয়।
বর্তমান যান্ত্রিক ও জনাকীর্ণ ঢাকার বুকে রমনা পার্ক এক টুকরো শান্তির নীড়।

• উদ্ভিদ বৈচিত্র্য: পার্কটি একটি জীবন্ত বোটানিক্যাল মিউজিয়াম। এখানে প্রায় ৭১ প্রজাতির ফুল গাছ, ৩৬ প্রজাতির ফলদ বৃক্ষ, ৩৩ প্রজাতির ওষুধি গাছ এবং ৪১ প্রজাতির বনায়ন বৃক্ষসহ অসংখ্য শতবর্ষী বড় বড় গাছ রয়েছে। বসন্ত ও বর্ষায় কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, জারুল, সোনালু আর সতেজ সবুজ পাতার মেলা বসে এখানে।
• রমনা লেক: পার্কের ঠিক মাঝখানে রয়েছে ৮.৭৬ একরের এক বিশাল ও শান্ত লেক। লেকের পানিতে আকাশের এবং চারপাশের সবুজ গাছের প্রতিফলন এক জাদুকরী দৃশ্যের অবতারণা করে। লেকের ওপর রয়েছে নান্দনিক ঝুলন্ত সেতু।
• রমনা বটমূল: বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হলো এই পার্কের ঐতিহাসিক বটমূল। প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে ছায়ানটের আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব এই বটমূলেই উদযাপিত হয়, যা পার্কটিকে এক অনন্য সাংস্কৃতিক মর্যাদা দিয়েছে।
• পাখিদের কলকাকলি: ঢাকা শহরের অন্য কোথাও একসাথে এত পাখির ডাক শোনা যায় না। ভোরের আলো ফুটতেই পার্কের শান্ত পরিবেশ হাজারো পাখির কিচিরমিচিরে মুখরিত হয়ে ওঠে, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের মন জুড়িয়ে দেয়।

আগামী শুক্রবার আমরা জড়ো হচ্ছি ঐতিহাসিক রমনা পার্কের সবুজের মাঝে। উদ্দেশ্য—সকালের সতেজ বাতাসে মন খুলে হাঁটা, শরীরচর্চা আর ঢাকার নানা প্রান্তের বন্ধুদের সাথে আড্ডা। চাইলে আপনি সবান্ধব সপরিবারে চলে আসতে পারেন, পরিচিত হতে পারেন...

ট্রাভেলার্স হুইসেল গ্রুপের এই আয়োজনে সকল সদস্যদের ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করতে নিজ নাম এবং নাম্বার জানিয়ে দিতে ইনবক্স বা কমেন্ট করুন।

পরিকল্পনা
=======
তারিখঃ ২ অক্টোবর
সময়ঃ সকাল ৬.৩০ - ১০ টা
স্থানঃ রমনা পার্ক
হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল গেট থেকে শুরু ৬.৪৫ টা
সাথে নিয়ে আসা লাগবেঃ নিজ পানির বোতল
পোশাকঃ আরামদায়ক হাঁটার জুতো ও পোশাক।
৩ টি অংশে আমরা এবার আয়োজনটি রেখেছিঃ
>> পুরো রমনা ঘুরাঘুরি
>> পরিচিতি পর্ব ও চা চক্র
>> আড্ডা গান

সবুজ ঘাসের বুকে হাঁটার অনেক উপকারিতা। শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর প্রভাবের কথা জানুন—
১. সরাসরি মাটির স্পর্শ
ঘাসে খালি পায়ে হাঁটায় শরীর পৃথিবীপৃষ্ঠ মানে মাটি থেকে নেগেটিভ চার্জ বা ঋণাত্মক আয়ন শোষণ করতে পারে। যা মুঠোফোনের মতো বৈদ্যুতিক যন্ত্র থেকে জমে থাকা পজেটিভ চার্জ বা ধনাত্মক আয়ন নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে। এর ফলে শরীরের প্রদাহজনিত সমস্যা যেমন কমে, ঘুমের মান বাড়াতে পারে এবং সামগ্রিক সুস্থতা সহ শরীরের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক (তড়িৎ চৌম্বকীয়) ব্যাল্যান্সে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।
২. শারীরিক সচেতনতা বৃদ্ধি
খালি পায়ে হাঁটার সময়, পায়ের পাতার স্নায়ুকোষ মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়। শরীরের গতিবিধির সামঞ্জস্য ও ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই সংবেদনশীল স্নায়ু উদ্দীপনা মানসিক সুস্থতা এবং নিজের সম্পর্কে আরও ভালো বোধ তৈরি করতে ভূমিকা রাখে।
৩. হতাশা থেকে বাঁচুন
ঘাসের ওপর খালি পায়ে হাঁটার সময় যে প্রশান্তি আমরা পাই, তা মানসিক চাপ উপশমের প্রাকৃতিক দাওয়াই। পায়ের নিচের নরম, প্রাকৃতিক টেক্সচার প্রেশার পয়েন্টগুলোকে উদ্দীপিত করে, শিথিলতা এবং সুস্থতার বোধকেও চাঙা করে এই প্রক্রিয়া। কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন হরমোনের মাত্রা কমিয়ে হতাশা, মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ কমায়।
৪. ব্যথা থেকে মুক্তি
ঘাসের ওপর খালি পায়ে হাঁটলে শরীরের ব্যথা কমায়। মাটির নেগেটিভ চার্জ শরীরের পজেটিভ চার্জ নিষ্ক্রিয় করতে সাহায্য করে। তাই প্রদাহ বা ব্যথাজনিত দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা সমাধানে রোজ সকালে খালি পায়ে সবুজ ঘাসের ওপর হাঁটুন।
৫. ভালো ঘুম হওয়া
নিয়মিতভাবে ঘাষে মাটিতে হাঁটলে ঘুমের মান ভালো হয়। এতে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমে। যাদের ঘুমের সমস্যা খালি পায়ে ২০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করুন।
৬. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
খালি পায়ে হাঁটা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে বহুগুণে। এতে পায়ের স্নায়ুর উদ্দীপনা শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, যা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। রক্তপ্রবাহের বৃদ্ধি মানে আরও বেশি অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করে পুরো শরীরে।
৭. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট টেনে নেওয়ার সুবিধা
পৃথিবীপৃষ্ঠ নেগেটিভ চার্জ ইলেকট্রনসমৃদ্ধ, যাকে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও বলা হয়ে। ফলে খালি পায়ে মাটি স্পর্শ করে হাঁটলে শরীর মাটি থেকে সরাসরি নেগেটিভ ইলেকট্রন চার্জ শোষণ করতে পারে। এতে শরীরের হাইড্রোক্সিল চার্জের মতো ফ্রি রেডিক্যাল ধ্বংস হয় বলে এর কারণে ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে যায় শরীরের প্রতিটি কোষ।
এতো উপকারই যদি হবে তাহলে, প্রতিদিন ঘন্টা খানেক হাঁটা নিজের সুস্থ থাকা নিশ্চিত করবে না কে?

আমাদের এই হাটাহাটি আয়োজন করেছি আগামী শুক্রবার। আপনারা সবাই সপরিবারে ছোট বড় সবাইকে নিয়ে চলে আসবেন। আড্ডা, আনন্দ, গান, বাচ্চাদের গাছ পরিচয়ে উৎসাহিত করা, খালি পায়ে, ঘাষের উপরে হাঁটা সহ নানা আয়োজন থাকবে।

পরিকল্পনা আরেকবার দেখে নেইঃ
====================
তারিখঃ ২ অক্টোবর
সময়ঃ সকাল ৬.৩০ - ১০ টা
স্থানঃ রমনা পার্ক।
মেইন গেট থেকে শুরু ৬.৪৫ টা (ইন্টার কন্টিনেন্টাল হোটেল গেট)

জরুরী
এই আয়োজন সর্বসাধারনের জন্যে হলেও কিছু নিয়ম মানা জরুরী। তাই যাওয়ার আগে ইনবক্সে কে কে আসবেন জানিয়ে নাম ও নাম্বার দিয়ে রাখবেন এবং উল্লেখিত সময়ে সকলে উপস্থিত থাকবেন।

প্রয়োজনে
সজীব ০১৭১১৯৭৮০৭২
ফাউন্ডার - ট্রাভেলার্স হুইসেল

ধন্যবাদ







বেয়ারফুট নেচার ওয়াক ইন রমনা
ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত রমনা পার্ক তার শতবর্ষী গাছপালা, পাখিদের কোলাহল এবং দৃষ্টিনন্দন লেকের জন্য প্রকৃতিপ্রেমী ও প্রাতঃভ্রমণকারীদের প্রিয় স্থান। ট্রাভেলার্স হুইসে গ্রুপের এবারের হাটাহাটি ও আড্ডা রমনা পার্কে।
সুস্থ দেহ ও ফুরফুরে মনের জন্য হাঁটা জরুরি। অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে ভোরে হাঁটা স্বাস্থ্যকর। প্রতিদিন ভোরে হাঁটতে বের হোন, শরীর থেকে রোগবালাই দূরে থাকবে। মন থাকবে ফুরফুরে।
ঢাকার ফুসফুস নামে পরিচিত রমনা পার্ক (রমনা উদ্যান) শুধু একটি বিনোদন কেন্দ্র না, এটি চারশত বছরেরও বেশি পুরনো এক জীবন্ত ইতিহাসের সাক্ষী। ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ৬৮.৫ একর আয়তনের এই চিরসবুজ উদ্যানটি তার সমৃদ্ধ অতীত, আধুনিক রূপ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য অনন্য।
মুঘল আমল (সূচনা): ১৬১০ সালে মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে যখন ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী করা হয়, তখন সুবাদার ইসলাম খান চিশতি এই অঞ্চলের গোড়াপত্তন করেন। ফার্সি শব্দ "রমনা" শব্দের অর্থ হলো তৃণভূমি বা চারণভূমি। মুঘলরা এই বিশাল উদ্যানের নাম দিয়েছিল "বাগ-ই-বাদশাহি" (বাদশাহী বাগান)।
১৮২৫ সালে ব্রিটিশ ম্যাজিস্ট্রেট চার্লস ডস ঢাকার নবাবদের সহায়তায় রমনার উন্নয়নে হাত নেন। ১৯০৮ সালে লন্ডনের বিখ্যাত কিউই গার্ডেনের কর্মী আর. এল প্রাউডলক-এর নিসর্গ পরিকল্পনায় বর্তমান পার্কটির আধুনিক নকশা তৈরি হয়। ১৯৪৯ সালে পার্কটি আনুষ্ঠানিকভাবে জনসাধারণের জন্য উদ্বোধন করা হয়। ১৯৫২ সালে এর বর্তমান ল্যান্ডস্কেপ চূড়ান্ত করা হয়।
বর্তমান যান্ত্রিক ও জনাকীর্ণ ঢাকার বুকে রমনা পার্ক এক টুকরো শান্তির নীড়।

• উদ্ভিদ বৈচিত্র্য: পার্কটি একটি জীবন্ত বোটানিক্যাল মিউজিয়াম। এখানে প্রায় ৭১ প্রজাতির ফুল গাছ, ৩৬ প্রজাতির ফলদ বৃক্ষ, ৩৩ প্রজাতির ওষুধি গাছ এবং ৪১ প্রজাতির বনায়ন বৃক্ষসহ অসংখ্য শতবর্ষী বড় বড় গাছ রয়েছে। বসন্ত ও বর্ষায় কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, জারুল, সোনালু আর সতেজ সবুজ পাতার মেলা বসে এখানে।
• রমনা লেক: পার্কের ঠিক মাঝখানে রয়েছে ৮.৭৬ একরের এক বিশাল ও শান্ত লেক। লেকের পানিতে আকাশের এবং চারপাশের সবুজ গাছের প্রতিফলন এক জাদুকরী দৃশ্যের অবতারণা করে। লেকের ওপর রয়েছে নান্দনিক ঝুলন্ত সেতু।
• রমনা বটমূল: বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হলো এই পার্কের ঐতিহাসিক বটমূল। প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে ছায়ানটের আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব এই বটমূলেই উদযাপিত হয়, যা পার্কটিকে এক অনন্য সাংস্কৃতিক মর্যাদা দিয়েছে।
• পাখিদের কলকাকলি: ঢাকা শহরের অন্য কোথাও একসাথে এত পাখির ডাক শোনা যায় না। ভোরের আলো ফুটতেই পার্কের শান্ত পরিবেশ হাজারো পাখির কিচিরমিচিরে মুখরিত হয়ে ওঠে, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের মন জুড়িয়ে দেয়।

আগামী শুক্রবার আমরা জড়ো হচ্ছি ঐতিহাসিক রমনা পার্কের সবুজের মাঝে। উদ্দেশ্য—সকালের সতেজ বাতাসে মন খুলে হাঁটা, শরীরচর্চা আর ঢাকার নানা প্রান্তের বন্ধুদের সাথে আড্ডা। চাইলে আপনি সবান্ধব সপরিবারে চলে আসতে পারেন, পরিচিত হতে পারেন...

ট্রাভেলার্স হুইসেল গ্রুপের এই আয়োজনে সকল সদস্যদের ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করতে নিজ নাম এবং নাম্বার জানিয়ে দিতে ইনবক্স বা কমেন্ট করুন।

পরিকল্পনা
=======
তারিখঃ ২ অক্টোবর
সময়ঃ সকাল ৬.৩০ - ১০ টা
স্থানঃ রমনা পার্ক
হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল গেট থেকে শুরু ৬.৪৫ টা
সাথে নিয়ে আসা লাগবেঃ নিজ পানির বোতল
পোশাকঃ আরামদায়ক হাঁটার জুতো ও পোশাক।
৩ টি অংশে আমরা এবার আয়োজনটি রেখেছিঃ
>> পুরো রমনা ঘুরাঘুরি
>> পরিচিতি পর্ব ও চা চক্র
>> আড্ডা গান

সবুজ ঘাসের বুকে হাঁটার অনেক উপকারিতা। শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর প্রভাবের কথা জানুন—
১. সরাসরি মাটির স্পর্শ
ঘাসে খালি পায়ে হাঁটায় শরীর পৃথিবীপৃষ্ঠ মানে মাটি থেকে নেগেটিভ চার্জ বা ঋণাত্মক আয়ন শোষণ করতে পারে। যা মুঠোফোনের মতো বৈদ্যুতিক যন্ত্র থেকে জমে থাকা পজেটিভ চার্জ বা ধনাত্মক আয়ন নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে। এর ফলে শরীরের প্রদাহজনিত সমস্যা যেমন কমে, ঘুমের মান বাড়াতে পারে এবং সামগ্রিক সুস্থতা সহ শরীরের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক (তড়িৎ চৌম্বকীয়) ব্যাল্যান্সে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।
২. শারীরিক সচেতনতা বৃদ্ধি
খালি পায়ে হাঁটার সময়, পায়ের পাতার স্নায়ুকোষ মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়। শরীরের গতিবিধির সামঞ্জস্য ও ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই সংবেদনশীল স্নায়ু উদ্দীপনা মানসিক সুস্থতা এবং নিজের সম্পর্কে আরও ভালো বোধ তৈরি করতে ভূমিকা রাখে।
৩. হতাশা থেকে বাঁচুন
ঘাসের ওপর খালি পায়ে হাঁটার সময় যে প্রশান্তি আমরা পাই, তা মানসিক চাপ উপশমের প্রাকৃতিক দাওয়াই। পায়ের নিচের নরম, প্রাকৃতিক টেক্সচার প্রেশার পয়েন্টগুলোকে উদ্দীপিত করে, শিথিলতা এবং সুস্থতার বোধকেও চাঙা করে এই প্রক্রিয়া। কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন হরমোনের মাত্রা কমিয়ে হতাশা, মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ কমায়।
৪. ব্যথা থেকে মুক্তি
ঘাসের ওপর খালি পায়ে হাঁটলে শরীরের ব্যথা কমায়। মাটির নেগেটিভ চার্জ শরীরের পজেটিভ চার্জ নিষ্ক্রিয় করতে সাহায্য করে। তাই প্রদাহ বা ব্যথাজনিত দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা সমাধানে রোজ সকালে খালি পায়ে সবুজ ঘাসের ওপর হাঁটুন।
৫. ভালো ঘুম হওয়া
নিয়মিতভাবে ঘাষে মাটিতে হাঁটলে ঘুমের মান ভালো হয়। এতে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমে। যাদের ঘুমের সমস্যা খালি পায়ে ২০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করুন।
৬. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
খালি পায়ে হাঁটা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে বহুগুণে। এতে পায়ের স্নায়ুর উদ্দীপনা শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, যা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। রক্তপ্রবাহের বৃদ্ধি মানে আরও বেশি অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করে পুরো শরীরে।
৭. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট টেনে নেওয়ার সুবিধা
পৃথিবীপৃষ্ঠ নেগেটিভ চার্জ ইলেকট্রনসমৃদ্ধ, যাকে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও বলা হয়ে। ফলে খালি পায়ে মাটি স্পর্শ করে হাঁটলে শরীর মাটি থেকে সরাসরি নেগেটিভ ইলেকট্রন চার্জ শোষণ করতে পারে। এতে শরীরের হাইড্রোক্সিল চার্জের মতো ফ্রি রেডিক্যাল ধ্বংস হয় বলে এর কারণে ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে যায় শরীরের প্রতিটি কোষ।
এতো উপকারই যদি হবে তাহলে, প্রতিদিন ঘন্টা খানেক হাঁটা নিজের সুস্থ থাকা নিশ্চিত করবে না কে?

আমাদের এই হাটাহাটি আয়োজন করেছি আগামী শুক্রবার। আপনারা সবাই সপরিবারে ছোট বড় সবাইকে নিয়ে চলে আসবেন। আড্ডা, আনন্দ, গান, বাচ্চাদের গাছ পরিচয়ে উৎসাহিত করা, খালি পায়ে, ঘাষের উপরে হাঁটা সহ নানা আয়োজন থাকবে।

পরিকল্পনা আরেকবার দেখে নেইঃ
====================
তারিখঃ ২ অক্টোবর
সময়ঃ সকাল ৬.৩০ - ১০ টা
স্থানঃ রমনা পার্ক।
মেইন গেট থেকে শুরু ৬.৪৫ টা (ইন্টার কন্টিনেন্টাল হোটেল গেট)

জরুরী
এই আয়োজন সর্বসাধারনের জন্যে হলেও কিছু নিয়ম মানা জরুরী। তাই যাওয়ার আগে ইনবক্সে কে কে আসবেন জানিয়ে নাম ও নাম্বার দিয়ে রাখবেন এবং উল্লেখিত সময়ে সকলে উপস্থিত থাকবেন।

প্রয়োজনে
সজীব ০১৭১১৯৭৮০৭২
ফাউন্ডার - ট্রাভেলার্স হুইসেল

ধন্যবাদ







Advertisement

Event venue

রমনা পার্ক,ঢাকা,বাংলাদেশ।, Dhaka, Bangladesh

Tickets
Concerts, fests, parties, meetups — all the happenings, one place.

Discover more events by tag

Ask AI if this event suits you

Keep the plans coming

More events in Dhaka

Dhanmondi Sales Fair

Thu, 22 Oct at 03:00 pm Robindro Shorobor, Dhanmondi রবীন্দ্র সরোবর, ধানমন্ডি

Dhaka is happening.

See everything else that’s on — concerts, markets, comedy and more.